সৌরভকে নিয়ে যে হাস্যকর বোমা ফাটালেন যুবরাজ

১৯৯৯ সালে টেস্ট অভিষেকের পর ২০০১ সালে ওয়ানডে অভিষেক হয় নেহরার। ভারতের জার্সি গায়ে ১৭ টেস্টে ৪৪ উইকেট, ১২০ ওয়ানডেতে ১৫৭ উইকেট এবং ২৭টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৩৪ উইকেটের মালিক তিনি। তিন ফরম্যাটে তিনি মোট ২৩৫ উইকেট তুলে নেন।

ইনজুরির কারণে ক্যারিয়ারের অনেকটা সময় মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে তাকে। তাই ক্যারিয়ারের পাল্লাটা খুব বেশি ভারী করতে পারেননি নেহরা। তার সমসাময়িক প্রায় সবাই অবসরে গেছেন। আর চলতি মাসের ১২ অক্টোবর আন্তর্জাতিক ও আইপিএল থেকে অবসরের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। তবে সর্বশেষ বুধবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে বিদায়ী ম্যাচ খেলেন তিনি।

প্রিয় সতীর্থের বিদায়ে বেশ আবেগী হয়ে পড়েন যুবরাজ সিং। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের ড্রেসিং রুমের স্মৃতি স্মরণ করেন যুবি। ভারত দলের এই দুই তারকা একই বছর (১৯৯৯ সাল) নিজেদের ক্রিকেট ক্যারিয়ার শুরু করেন। ১৮ বছরের ক্যারিয়ারে ১২ ছুরি-কাচির নিচে যেতে হয়। অন্যদিকে যুবরাজকে ক্যানসারের সঙ্গে লড়ে সাধারণ জীবনে ফিরতে হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যুবরাজের পোস্টগুলো দেখে সুস্পষ্ট যে, তিনি তার সতীর্থ নেহরা সম্পর্কে যে অভিমত ব্যক্ত করেছেন তার সবই পজেটিভ। তার চোখে সতীর্থ নেহরা সৎ ব্যক্তি। এমনি জানান, সারা জীবন সৎ থেকেছেন নেহরা।

এছাড়া ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় নেহরার যে ডাকনাম দিয়েছিলেন, তা ‘ফাঁস’ করে দিয়েছেন। যুবি জানিয়েছেন, ‘সৌরভ নেহরার ডাকনাম দিয়েছিলেন ‘পোপাট।’ কারণ, ও বেশি কথা বলত। আমার মনে হয় ও জলে ডুবেও কথা বলতে পারে। সেইসঙ্গে ও খুব হাসিখুশি। ওর শরীরী ভাষাটাও খুব মজাদার..আশিষ নেহরার সঙ্গে থাকলে আপনার দিন কোনওভাবেই খারাপ হতে পারবে না..কোনও সুযোগই নেই..ও আপনাকে হাসাতে হাসাতে ফেট ফাটিয়ে দেবে’।

যুবি আরও লিখেছেন,’আমি একটা কথা ওকে কোনওদিন বলিনি কিন্তু ওর থেকে আমি প্রেরণা পেয়েছি। আমি ভাবতাম, এই লোকটা যদি ৩৮ বছর বয়সে, এত চোট ও অস্ত্রোপচারের পরও ফাস্ট বল করতে পারে, তাহলে আমি ৩৬ বছর বয়সে ব্যাটিং করতে পারব না কেন’।