বাংলাদেশের পরবর্তী কোচ খালেদ হচ্ছেন মাহমুদ সুজন ?

চণ্ডিকা হাথুরুসিংহেকে আর দেখা যাবে না বাংলাদেশ ক্রিকেটে! বাংলাদেশের বর্তমান কোচ এরই মধ্যে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন ক্রিকেট বোর্ডের কাছে! সেই খবর তোলপাড় ক্রিকেট ভক্তদের মধ্যে।

হাথুরুসিংহের পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ার একদিন পরই শোনা যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পরবর্তী প্রধান কোচ হতে পারেন সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন।

এরই মধ্যে জানিয়ছেন যে, প্রধান কোচের দায়িত্ব নেয়ার জন্য তিনি প্রস্তুত আছেন। সুজন এ বিষয়ে বলেন, ‘আমি নানা সময়ে নানা রকম চ্যালেঞ্জ নিয়ে এই পর্যন্ত এসেছি। যখন অধিনায়কের দায়িত্ব আমাকে দেয়া হয়েছিলো, তখনও ভাঙাচোরা একটা দল নিয়ে এগিয়েছি। এ ছাড়া কোচিংও করছি অনেক দিন ধরে। আমার মনে হয় না এই পর্যায়ের কোচিং খুব কঠিন জিনিস। তবে অনুপ্রেরণা দেয়ার কাজটা গুরুত্বপূর্ণ। বোর্ড যদি আমাকে এই কাজের উপযুক্ত মনে করে এবং দায়িত্ব দেয়, তাহলে আমি পুরোপুরি প্রস্তুত আছি।’

গত দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বেশ কয়েকদিন দলের সঙ্গে ছিলেন সুজন। কিন্তু সে সময়ও নাকি তিনি চান্দিকার কাছ থেকে চাকরি ছাড়ার বিষয়ে কোনো কিছু শোনেননি। আজ সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে চান্দিকার সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সুজন।

এ সময় তিনি বলেন, ‘এমন একটা সিদ্ধান্ত আসতে পারে, তার কোনো ধারণাই আমার ছিলো না। বিষয়টি নিয়ে আমি খুব অবাক হয়েছি। আমি এখনো নিশ্চিত নই ও আর ফিরবে কিনা। ঠিক কী কারণে এটা করলো তা জানি না।’

শোনা যায়, বিসিবিতে চান্দিকার সবচেয়ে বেশি যোগাযোগ ছিলো বোর্ড প্রধান নাজমুল হাসান পাপন ও সুজনের সঙ্গেই। তারপরও পদত্যাগ করার মতো বড় একটা বিষয় নিয়ে তিনি এ দুজনের সঙ্গে কেনো আলোচনা করারও দরকার মনে করেননি, তা এক বিস্ময়কর ব্যাপার।

সুজন বলেন, ‘আমার সঙ্গে ওর সম্পর্কটা চমৎকার ছিলো। কিন্তু হঠাৎ করে এমন একটা সিদ্ধান্ত কেনো নিলো; এটা বিস্ময়কর ব্যাপার। ওর সঙ্গে কথা না বলে আসল ব্যাপারটা জানার কোনো উপায় আমি দেখছি না।’

চান্দিকার পদত্যাগ নিয়ে বৃহস্পতিবার বোর্ড প্রধান বলেছেন যে, তিনি যদি চলে যেতেই চান, তাহলে তাকে ফিরিয়ে আনার কোনো প্রশ্নই নেই। অর্থাৎ এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও, চান্দিকার বাংলাদেশ অধ্যায় যে শেষ, তা মোটামুটি নিশ্চিত।

চান্দিকার পদত্যাগের পরই বোর্ডে পরবর্তী অধিনায়ক হিসেবে সুজনের কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু সাবেক টেস্ট অধিনায়ক ব্যাপারটা জেনেছেন আজ। তিনি বলেন, ‘আমার কথা যে আলোচনা হচ্ছে, সেটা আমি জানতামই না। আজ একজন বললো। আসলে কী হবে— সেটা জানতে আরো সময়ের প্রয়োজন। বোর্ডে এই ব্যাপার নিয়ে আলোচনা হবে, তারপর সিদ্ধান্ত আসবে।’